শনির আখড়ায় খাওয়ার সেরা ৫ জায়গা—ফুড লাভারদের জন্য মাস্ট লিস্ট!
বন্ধু অথবা পরিবার নিয়ে খেতে বের হয়েছেন আর গন্তব্য হচ্ছে শনির আখড়া বাসস্ট্যান্ড এর আশেপাশের জায়গা, তাহলে যে খাবারগুলো আপনাকে অবশ্যই চেঁখে দেখতে হবে তার একটা তালিকা খুঁজে পাবেন এই লেখাটায়।
খাবারের রকম ফের আছে অনেক এই এলাকায়। স্ট্রীটফুড থেকে শুরু করে ফাইন ডাইনিং কি নেই! তবে আজকে স্ট্রিট ফুড ও ফাইন ডাইনিং এর মাঝের একটা ক্যাটাগরি থেকে তুলে ধরা হবে আমাদের সেরা ৫ খাবারের লিস্টে।

১) এনায়েত ফুচ্কা হাইজ: গোয়াল বাড়ির মোড়, দনিয়াতে অবস্থিত শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত একটা স্ট্রিটফুড স্টাইল রেস্টুরেন্ট। একটা সময় ছিল যখন এনায়েত ফুসকা ছিল শুধুই একটা স্ট্রিটফুড কার্ট। যখন কেও ছিলোনা তখন থেকে বিখ্যাত এই এনায়েত ফুচ্কা। একবার হলেও তাদের ফুচ্কাটা আপনার ও আপনার পরিবারের সদস্যদের খাওয়া উচিত। পেমেন্ট করে টোকেন নিয়ে টেবিলে যখন অপেক্ষা করবেন তখন হয়তো বিশ্বাসই হতে চাইবেনা যে এতো এতো ভিড় ও আয়োজন শুধু ফুসকার জন্য!

২) চাবাও চাপ: গোয়াল বাড়ির মোড়েই আছে চাপের জন্য বিখ্যাত চাবাও। নারায়ণগঞ্জ এর পরে তারা শনির আখড়ায় এসেও বিখ্যাত হয়ে গেছে। মূলত চিকেন চাপ, লুচি ও স্পেশাল টকের জন্য জনপ্রিয় এই জায়গাটা। পরিবার কিংবা বন্ধুদের নিয়ে আরাম করে এখানে খাবার উপভোগ করতে পারবেন।

৩) মদিনা পেশওয়ার: বর্ণমালা স্কুলের পাশেই বিকালে বসে এক বিশাল স্ট্রিট ফুড এর মেলা, এতো শত ভিড়ের মাঝে আপনাকে খুঁজে বের করতে হবে পিছের দোকানের সারির মাঝে একটা কাবাবের রেস্টুরেন্ট যার নাম মদিনা পেশওয়ার। সেখানেও বসে উপভোগ করতে পারেন নরম নরম নান রুটির সাথে নেহারি অথবা গরম গরম তৈরী হওয়া মুরগির বাহারি কাবাব। কাবাবের সাথে তারা এক বাটি রাইতা সালাদ দিবে সেটা দিয়ে খাওয়ার সময় আপনার চোখ নিজে নিজেই বন্ধ হয়ে যেতে পারে স্বাদের জাদুতে।

৪) ফ্লেভার এক্স: এইবার খোঁজ দেই একটা আন্ডারগ্রাউন্ড রেস্টুরেন্ট এর। ফ্লেভার এক্স নামক এই জায়গাটা পরিবার নিয়ে যাওয়ার জন্য একদম পারফেক্ট। বাচ্চাদের খেলার জায়গা যেমন আছে তেমনি সিমসাম পরিপাটি বসার জায়গাটাও বেশ গোছানো। তবে বিভিন্ন সেট মেন্যুর ভিড়ে আপনাকে খুঁজে বের করতে হবে টার্কিশ কাবাবটা, এইটার পাশাপাশি ট্রাই করতে পারেন সি ফুডের আইটেম গুলোও।

৫) টি বান: এতশত খাবারের পরে প্রয়োজন এক কাপ চা। সেটার জন্য চলে যেতে পারেন ওয়াসার পানির পাম্পের গলির ভিতরে টি এন্ড বান নামক একটি চায়ের রেস্তোরায়। বিভিন্ন রকম চায়ের পাশাপাশি ট্রাই করতে পারেন পোড়া রুটি অথবা বিভিন্ন ভাজাপোড়া অথবা কাটলেট।
যে ৫টি জায়গার নাম দেওয়া হলো সেখানে পরিবার কিংবা বন্ধুদের নিয়ে বসে আড্ডার পাশাপাশি খাবার উপভোগ করতে পারবেন। পরে কোন একদিন কথা বলবো এই এলাকায় কিছু রুফটপ ও ফাইন ডাইনিং নিয়ে। আজকের মতন বিদায়, হ্যাপি আউটিং!

